কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ১২:৪৮ AM
কন্টেন্ট: পাতা
তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গো-প্রজনন খামার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যার ফলে ১৯৫৯-৬০ খ্রি. সালে ২৬১৩ একর অনাবাদি জমির উপর খামারটি স্থাপিত হয়। তবে বিভিন্ন সময়ে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তরের পর বর্তমানে খামারে মোট জমির পরিমান ৭৯২.৮৭ একর। ১৯৬৩-৬৪ সালে তদানিন্তন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সংগৃহীত সিন্ধি, শাহীওয়াল জাতের গরুসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে খামারটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া থেকে ১২৫টি হোলষ্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের বকনা ও ষাঁড় আনয়ন ও আমদানীকৃত উচ্চ উৎপাদনশীল জাতের গরুর মাধ্যমে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের মাধ্যমে গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বহুমাত্রিক কার্যক্রম গ্রহণ করার ফলে দেশব্যাপী গবাদিপশুর উন্নয়ন ঘটে।
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, বিভিন্ন সংকরজাতের (দেশি x ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল x ফ্রিজিয়ান) ও দেশি (পাবনা, মিরকাদিম) জাতের গরু পালনের মাধ্যমে দেশের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের সাথে সাথে দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। খামারের অভ্যন্তরীন বায়ার, ভেটেরিনারি, কৃষি, ডেইরি, কারখানা ও প্রশাসন শাখার মাধ্যমে সকল কার্যাবলি সম্পাদিত হয়ে থাকে।
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাংস ও ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ দুধ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের একটি সহযোগি ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার, সাভার, ঢাকা তার সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে কাংক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে।